বাংলাদেশের সুবিধাবাদী প্রগতিশীল দল এবং একটি হরতাল
By :
খামিন
গেলবছর, ১৮ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বামপন্থী দল কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাদেশ-সিপিবি এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, তাদের পূর্ব ঘোষিত সকাল-সন্ধ্যা হরতালকে গতি দেয়ার জন্যে সকাল থেকেই খণ্ডিত আকারে মিটিং-সমাবেশ শুরু করে। ইতিহাস তলব করলে দেখা যায়, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে তাদের, মানে বামদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে প্রসঙ্গত এই হরতাল বিশেষ আলোচনার দাবী রাখে, কেননা তাদের এই হরতাল দেয়ার কারণগুলোর মধ্যে স্পষ্ট এবং অন্যতম কারণ হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সহ ধর্মভিত্তিক দল জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ। যদিও হরতাল দেয়ার পেছনে অন্য কারণ ও ছিল তবে জামাত-শিবির রাজনীতি বন্ধ এবং যুদ্ধাপরাধীর বিচার’ই ছিল তাদের মূল সুর।
৭৩ এ মুজিব রাজনীতির সাথে বামদল-সিপিবি’র
Justice denied while justice delayed
By :
খামিন
Its seems that the year 2012 passed in pace by with leaving many joyous events like triumph of Bangladesh Cricket but, the new form of heinous violence against human rights across the country faded off all its good achievements. In addition, hundreds of people victimised by extrajudicial killing, torture, abduction and kidnapping adds fuel to the level of human rights violation over the earlier year.
Not very long ago, the most shocking medieval brutality which happened to Biswajit Das, a tailor having no political affiliation, was chopped to kill by ruling Awami League party’s student wing Bangladesh Chhatra League-BCL activists during the
“সুলতা বনাম বনলতা সেন”
By :
এস ইসলাম
“সুলতা বনাম বনলতা সেন”
একটি তুলনামূলক কাব্য বিশ্লেষণ
–ডঃ সৈয়দ এস আর কাশফি
কবি শফিকুল ইসলামের কবিতায় তার কাব্য প্রেয়সী সুলতার যে নান্দনিক ও শৈল্পিক সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় তা সামগ্রিক ও কাব্যময়। কবি জীবনানন্দ দাসের বনলতাসেনের মতো কোন খন্ড চিত্রকল্প নহে। বর্ণনা এখানে সফল, কাব্যময় এবং জীবন্ত। জীবনানন্দদাস বনলতা সেনের মুখশ্রী ও চুলে কাব্য সৌন্দর্য্য খোঁজে ফিরেছেন। যা নিতান্তই খন্ড চিত্র। যেমন তিনি বলেছেনঃ
“চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য”…
এখানে বনলতা সেনের সফল সৌন্দর্য বর্ণনা আমরা খোঁজে পাইনা। প্রায় অন্ধকারের মত তার চুল দেখার ঝাপসা আকুতি ও কাল্পনিক শ্রাবস্তীর মতো তার মুখের আদল। অন্যপক্ষে সুলতা প্রসঙ্গে কবি
প্রেম একবার এসেছিল নীরবে..
By :
এস ইসলাম
“একটি বেদনা-ভরা প্রেমের কাব্য”
–অধ্যাপক কৃপাল নারায়ণ চৌধুরী।
কবি শফিকুল ইসলামের ‘শ্রাবণ দিনের কাব্য’ একটি মহৎ প্রেমের কাব্য। বইটি এবারের বইমেলায় প্রকাশ করছে আগামী প্রকাশনী। এই কাব্যের প্রতিটি কবিতায় কবির প্রেমিক হৃদয়ের গভীর অনুভুতির সার্থক প্রকাশ ঘটেছে। কবিতাগুলোর মধ্যে হৃদয়ের হাহাকার স্পষ্টই প্রতীয়মান হয়। তিনি বইটির উৎসর্গ পত্রে লিখেছেনঃ–
“….যাকে ভালবেসে
একদিন এই জীবনকে
বড় বেশী ভালবেসেছিলাম,
যাকে হারিয়ে আজ এই জীবনের চেয়ে
মৃত্যুই বেশী সুমধুর বলে মনে হয়,
যার বিচ্ছেদ-যাতনায় তিক্ত গরল ও আজ
অমৃতের অধিক অমৃতময় বলে মনে হয়।”
কাব্যলক্ষ্মী সুলতাকে কবি একদিন হৃদয় থেকে ভালবেসেছিলেন। কিন্তু সেই সুলতা কবিকে কিছু না বলে হারিয়ে গেল। কবির ভাষায়ঃ–
“শহরের গলি
গ্রন্থ পর্যালোচনা “শ্রাবন দিনের কাব্য”
By :
এস ইসলাম
গ্রন্থ পর্যালোচনা “শ্রাবন দিনের কাব্য”
–মোঃ শামসুল হক শামস
[বাংলাদেশ বেতারের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান "উত্তরণ" এ একাধিকবার পঠিত]
২০১০ -এ একুশের বই মেলায় আগামী প্রকাশনী,বাংলা বাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত কবি শফিকুল ইসলাম এর কাব্য গ্রন্থ “শ্রাবন দিনের কাব্য” । এই গ্রন্থে প্রায় ৫০টির (পঞ্চাশ) মত কবিতা স্থান পেয়েছে । গ্রন্থের প্রচছদ পরিকল্পনায় শিবু কুমার শীল। কবিতাগুলো মনের গভীরে প্রোথিত অনুভূতিকে উদ্বেলিত করার মত গদ্য -রীতিতে রচিত ।
নান্দনিকতায় যখন ভাটা ,হালকা চটুল গান নিয়ে যখন মানুষ অ-রুচির অন্ধকারে আচছন্ন ,ঠিক তখনই উপযুক্ত সময়ে যেন সৃষ্টি হল এই কাব্যগ্রন্থটি । বাংলা সাহিত্যে এমন গ্রন্থের কদর থাকা চাই । প্রেম-বিচেছদের কুয়াশায় আচছন্ন মানুষের চোখ । কিন্
“স্মৃতি তুমি বেদনা…
By :
এস ইসলাম
পুরনো শহর মানে-স্মৃতির শহর,
বহুদিন পর সেই পুরনো স্মৃতির শহরে ফেরা মানে-
স্মৃতির আয়নায় নিজেকে মুখোমুখি দাড় করানো….
কত স্মৃতি,কত মুখ
কত উদাস দুপুর,বিষন্ন গোধূলী, জোছনা-মাখা রাত…
ফেলে আসা ক্ষণগুলো মুহুর্তে হৃদয়ে ভীড় করে।
আর সেই সব সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-নিশার পটভূমিতে
কোন কোন মুখ আবার অবিকল মনে জাগে,
হৃদয়ের অতলান্তে ঝড় তুলে….
তেমনি একটি মুখ সুলতা!
বহুদিন আগের এই শহরে একটি মানবীর মায়াবী মুখ-
যে মুখ স্বপ্ন দেখাতো বেচে থাকার,
পথচলায় যোগাতো প্রেরণা–
স্মৃতির শহরে ফিরে এলে তাকে তো মনে পড়বেই,
তাকেই আরো বেশী মনে পড়বে-
মনে পড়াটাই স্বাভাবিক ও মানবিক।
যদিও দীর্ঘ দিনে দৃশ্যপট,
চেনা পথ-ঘাট সবই পাল্টে গেছে,
তবু মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা
অতৃপ্ত প্রেম আবার জেগে উঠবে
‘প্রত্যয়ী যাত্রা’ ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা
By :
এস ইসলাম
-মুহাম্মদ শামসুল হক শামস্
কবি ও গীতিকার ।
*** কাব্যমনস্ক বিবেকী সত্তার মানুষ, সত্য সাধনায় অসংকোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহসের নির্ভীক ব্যক্তিত্ব শফিকুল ইসলামের লেখার ভান্ডারে সঞ্চিত পান্ডুলিপি থেকে ইতোমধ্যে তার বেশ কয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে । আলোচিতব্য কাব্যগ্রন্থ “প্রত্যয়ী যাত্রা” তারই সাম্প্রতিক প্রয়াস । তার নিরলস প্রয়াস প্রমাণ করে যে, তার অপ্রতিরুদ্ধ্ গতি থামবার নয়, অন্যায়ের কাছে মিথ্যার কাছে আপোষ করবার মত নয়। আর তার নিরন্তর চেষ্টার মাঝে তিনি তার অনন্য কাব্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন বলেই প্রতিভাত হয় আমাদের কাছে ।
*** বাহুল্য শব্দের অলংকার, অনুপ্রাস বিবর্জিত আধুনিক সাহিত্য মুলতঃ বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে বাংলাদেশ দিয়ে তার রক্
গ্রন্থ পর্যালোচনাঃ “মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর”
By :
এস ইসলাম
গ্রন্থ পর্যালোচনাঃ “মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর”
–মহিবুর রহিম
“মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর” একটি আধুনিক ধারার সঙ্গীত সংকলন। এগুলোকে গীতধর্মী কবিতা ও বলা যায়। তবে স্বার্থক সঙ্গীতের জন্যে কাব্যগুণের শর্ত তো খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। গ্রন্থটির লেখক শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার হলেও মূলত তিনি একজন কবি। কবিতা নিয়েই সাহিত্য জগতে তার পদযাত্রা।”এই ঘর এই লোকালয়”, “একটি আকাশ ও অনেক বৃষ্টি”, “শ্রাবণ দিনের কাব্য”, “তবু ও বৃষ্টি আসুক”, ‘দহন কালের কাব্য’ প্রভৃতি কাব্য গ্রন্থে তার স্বতন্ত্র কাব্য প্রবণতা বিশেষভাবে বিবেচনার দাবী রাখে। আর একজন কবির রচিত সঙ্গীত গ্রন্থে ভাব ও সুরের মিশেলে আমরা পেয়ে যাচ্ছি সংবেদনশীল হৃদয়ানুভূতিকে। শফিকুল ইস
রামু সহিংসতা : সাম্প্রদায়িক না রাজনৈতিক
By :
Haque
সম্প্রতি কক্সবাজারের রামু এবং চট্টগ্রামের পটিয়া ও এর পার্শ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সঙ্ঘটিত নাশকতার ঘটনা দেশ জুড়ে দুঃখ ও শঙ্কা ছড়িয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন এটা ‘পরিকল্পিত’। হতে পারে। প্রশ্ন হলো কার পরিকল্পনা, কী পরিকল্পনা? সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। বলেছেন, এ তাণ্ডবের লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করা। শুনে আমরা হতভম্ব এবং কেউ কেউ বিনোদিত হয়েছি। মনে হচ্ছে ঘটনা পরিকল্পিত হোক আর না-হোক, মন্ত্রীর এই ‘বাণী’ যে পরিকল্পিত, তাতে সন্দেহ নেই। কেননা এটা মেনে নিলে ধরে নিতে হবে, যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচালের মূল উদ্যোক্তা ফেইসবুকে আপত্তিকর ছবি আপলোডকারী ওই বৌদ্ধ যুবক উত্তম বড়ুয়া। সে কেন যুদ্ধাপরাধের বিচা
”দহন কালের কাব্য ”
By :
এস ইসলাম
গ্রন্থ পর্যালোচনাঃ”দহন কালের কাব্য ”
–এম,এ মান্নান (রিপন)
কবি শফিকুল ইসলামের চিন্তা চেতনা বা দর্শন অনেকটাই এদেশের সাধারণ মানুষদের নিয়ে। যাদের অধিকাংশই মেহনতী শ্রমজীবী। যাদেরকে খেটে খাওয়া, সর্বহারা, সামাজিক বঞ্চিত মানব শ্রেণীকে বুঝায়। তার প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থে এ সম্পর্কে ধারনা আমরা পেয়েছি। কিন্তু আমি অনেকটা বিস্মিত হয়েছি তার “দহন কালের কাব্য “গ্রন্থটি পড়ে। বইটি পড়তে গিয়ে আমি বার বার আর্শ্চাযিত হয়েছি বইটির প্রতিটি কবিতা পড়ে। উৎসর্গ টিকায় ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে কবি রবি ঠাকুরের সেই চিরচেনা অনুপ্রাণিত উৎসাহ উদ্দীপনার বানীঃ–
‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী
ভয় নাই ওরে ভয় নাই-
নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান
ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই’…
মনে হয় কবি কোন এক লক্ষ্য
