পাক্ষিক চিন্তা ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ সংখ্যা
ক্ষুদ্রঋণ, পিকেএসএফ ও আমাদের উন্নয়ন দর্শন
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা ছিল সরগরম। সেখানে সব কিছু ছাপিয়ে, ইউনূস তহবিল তছরুপ করেছেন বা নিয়ম ভঙ্গ করে টাকা সরিয়েছেন কি না এটাই মুখ্য হয়ে ওঠে। ইউনূসের পক্ষে-বিপক্ষে সংবাদ মাধ্যম পাল্লা দিয়ে প্রচারে নামে। পুরা আলোচনাই ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক নীতিগত অবস্থানের জায়গা থেকে সরিয়ে অতিমাত্রায় ব্যক্তি ইউনূসের প্রতারণা ও বন্দনার সংকীর্ণ খাতে আটকে ফেলা হয়। এতে মূল প্রসঙ্গ থেকে আলোচনা সরে যায়। ড. ইউনূস নোরাডের কাছ থেকে পাওয়া গ্রামীণ ব্যাংকের অনুদান স্থানান্তরিত করেছেন। এ ব্যাপারে নোরাড আপত্তি তুলেছিল এবং নিজেরাই তা আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা করেছে।[আরো প
পাক্ষিক চিন্তা ১৫ নভেম্বর ২০১০ সংখ্যা
সংবিধান সংশোধন ও পুনর্মুদ্রণ: নৈরাজ্যের দিকে ধাবমান বাংলাদেশ
সংবিধান, রাষ্ট্র ও আদালতের চৌহদ্দি ঘিরে সম্প্রতি এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা বাংলাদেশকে দ্রুতই একটা সংঘাতের মধ্যে নিয়ে যাবার পথ তৈরি করছে। রাজনৈতিক বিরোধ ও ভিন্নতা নিরসনের কোন উপায় আর অবশিষ্ট থাকছে না। সেই লক্ষণ বেশ স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠছে। দলবাজি এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে পুরা রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠান সমূহকে দলীয় অঙ্গসংগঠনের ভূমিকায় নামিয়ে আনা হচ্ছে। কোন প্রতিষ্ঠান আর জনগোষ্ঠীর সাধারণ ও সামগ্রিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে না, করার জায়গায় নাই।[আরো পড়ুন..
- বিশ্বের অতি ক্ষমতাবান শ্রেণীর ‘জনকল্যাণ’ ও সুশাসন কারবার
Read more... View: 187 Leave Comment (0) 
পাক্ষিক চিন্তা ৩০ অক্টোবর ২০১০ সংখ্যা
জনগণের ভূমি দখলকারী নয়, জনগনের সঙ্গে গণপ্রতিরক্ষার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে সেনাবাহিনীকে। সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন আবাসন কোম্পানি আর্মি হাউজিং স্কিমের একটা প্রকল্পের জমি কেনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গত ২৩ অক্টোবর সেনাবাহিনী-র্যাব-পুলিশের সাথে স্থানীয় অধিবাসীদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের রেশ থাকতে থাকতেই আমাদের চিন্তার অভিমুখকে সেইদিকেই ফেরাবার সময় এসেছে। আরো পড়ুন...।
- ইনডিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশের বিনিয়োগ এবং ট্রানজিট ফী'র ভবিষ্যৎ
- বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে পরবর্তী যুদ্ধে শামিল করার কৌশল
- হিজাব দেখলে লাগে ভয়
- ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কনিয়ে আনা
- বাবরি মসজিদের জমির মালিকানা সংক্রান্ত রায়
- অর্
পাক্ষিক চিন্তা ১৫ অক্টোবর ২০১০ সংখ্যা
একটা নির্বাচিত সংসদও সামরিক আইন প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমিকা নিতে পারে -- নির্বাচিত সংসদ থেকেও সামরিক ফরমান জারি হতে পারে।সম্প্রতি সেই নজির দেখল বাংলাদেশ।-- ‘বিদ্যুৎ জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ সংসদে কণ্ঠভোটে পাস করেছে ক্ষমতাসীন দল। এই সংসদীয় ফরমান চরিত্রের দিক থেকে সামরিক ফরমানের মত...। আরো পড়ুন...
- একীভূত সীমান্ত বা যোথ টহলের আত্মঘাতী বন্দোবস্ত
- বিএসএফ কতৃক বাংলাদেশী নাগরিক হত্যার দায় নিতে রাজি হোল বাংলাদেশ
- সরেজমিন জৈন্তাপুর
- প্রধান বিচারপতির 'হারানো ক্রেডিবিলিটি'
- আদিবাসী হওয়ার তদবিরে ব্যস্ত পার্বত্য সংগঠনগুলা
- ঢাকার তিনটি সরকারী হাসপাতালে স্বাস্
পাক্ষিক চিন্তা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ সংখ্যা
দুনিয়ার অসুখবিসুখের শাস্ত্রে কিম্বা বিজ্ঞানে রোগ হিশাবেই পরিচিত ছিল এনথ্রাক্স। কিন্তু জৈবপ্রযুক্তি আর জিনগত প্রকৌশলের এই সময়ে এই এনথ্রাক্স অণুজীবকে গবেষণাগারে জৈব অস্ত্র হিশাবে গড়ে তোলা হয়েছে এবং হচ্ছে। আরো পড়ুন...
- সরেজমিন সিরাজগঞ্জ
- বাংলাদেশের এনথ্রাক্স জীবাণু অস্ত্র হতে পারে
- তামাক চাষ খাদ্য সংকট তৈরি করছে
- তামাক চাষের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে কর্মসূচি পালন
- পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র ও স্বাস্থ্যের পক্ষে আদালতের বিরাট ভূমিকা
- রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা খাতের বাণিজ্য
- ভাড়াবিদ্যুতের ব্যবসা চালাতে রাষ্ট্রায়ত্ব খাতের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে নাঃ একটি সাক্ষাৎকার
- মুখ দেখে যায় কি চেনা?
পাক্ষিক চিন্তা ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ সংখ্যা
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান প্রতিষ্ঠান সমূহকে কার্যকর করে গড়ে তুলতে একটাকে আরেকটার অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে পৃথক রাখা হয়। ভারসাম্য রক্ষায় কাজের এইবিভাজন নীতি গড়ে উঠেছে নাগরিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার নিরঙ্কুশ সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেটা হয় নাই। নাগরিকেরঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজন কিম্বা ভারসাম্য রক্ষার কোন বন্দোবস্ত হিশাবে বিচার বিভাগ স্বাধীন করা হয় নাই।
- মুখ দেখে যায় কি চেনা?
- আত্মপরিচয় ও বাঙালিত্বের যুদ্ধ খায়েশ
- ইনসাফ ও নাগরিকের মর্যাদা
- আস্বাভাবিক তাড়াহুড়ায় ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
- আবাসন ব্যবসায়ীরা কি ধাকে
পাক্ষিক চিন্তা ১০ আগাস্ট ২০১০ সংখ্যা
শ্রমিকদের সংগঠন করতে না দেয়া এবং দাবিদাওয়া জানানোর নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার অনুপস্থিতি যারা তৈরি করেছে তারাই আবার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে দেখলে 'বিশৃঙ্খলা ও 'নৈরাজ্যের' জিগির তোলে। প্রচার মাধ্যমে সমস্ত কিছু ছাপিয়ে তখন 'দেশের ক্ষতি' এবং 'শিল্পখাত ধ্বংসের পাঁয়তারার চিৎকার। এর পেছনে উদ্দেশ্য ও প্রচারণা কৌশল্টাও বেশ পুরানা এবং প্রতিষ্ঠিত।
- ন্যূনতম মজুরি পাঁচ হাজার টাকা হলে কি রফতানিমুখি পোশাকখাত বন্ধ হয়ে যাবে?
- 'কমিউনিস্ট’দের রিমান্ড সমস্যা
- প্রণবমূখার্জির ঝটিকা সফর অতঃপর কোন ঝড়?
- বিদ্যুত উৎপাদন এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় কয়লা নীতি
- কাশ্মিরঃ দক্ষিণ এশিয়ার ফিলিস্তিন
- নতুন মজু
পাক্ষিক চিন্তা ২৫ জুলাই ২০১০ সংখ্যা
একদিকে নিরস্ত্র নাগরিক, হোক সাধারণ কিম্বা বিশিষ্ট,, অন্যদিকে সশস্ত্র পুলিশ কিম্বা সেনাবাহিনী।সাধারণ নাগরিক বা সৈন্যরা এখানে শক্তির মূল নির্ধারক নন।উর্দিওয়ালা কিম্বা সাদাপোশাকি ক্ষমতাবান অল্প কিছু কর্তাব্যক্তিই শাসক ও শোষক – এই হচ্ছে কথিত আধুনিক রাষ্ট্রের লক্ষ্যণীও বৈশিষ্ট্য। যেন ফারাক শুধুই অস্ত্রের...।
- মামলা, রিমান্ড ও নিম্ন আদালতের ভূমিকা
- কন্ঠরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং নির্মূলের নীতি
- আদালতের অবারিত এখতিয়ারের বিপরীতে অসহায় নাগরিক
- ছয় বছরেও চূড়ান্ত হয় নাই আদালত অবমাননা আইন
- বস্ত্রখাতের নিরাপত্তায় তুলা আমদানির বিকল্প বাজার তালাশ
- ইরান বিষয়ে মার্কিন নীতি এখন ঠিক করছে ইসরায়েলী লবি
সাংবিধানিক বিতর্ক
- চতুর্থ সংশোধনীতে হারানো ক্ষমতা সামরিক আইনে ফিরে পাওয়ার কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছে আদালত
- আইনের শাসনের তামাশা ও বাকশাল ‘দর্শনের’ জের
- আদালত অবমাননার বিচার ও দণ্ড প্রসঙ্গ
- ‘কমিউনিস্ট’দের রিমান্ড সমস্যা
- হাসিনার কনস্টিটিউশন সংশোধন: আসলে কি হতে যাচ্ছে?
আ দা ল ত অ ব মা ন না
আমার দেশ, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও নির্যাতন
- Mahmud in Remand...
- Punishing the Dissenters
- Assaulting Mahmud & Daily Amar Desh
- প্রকাশককে ‘নাই’ করে দিয়ে গায়ের জোরে একটা পত্রিকা বন্ধ করে দিলো সরকার
- সংবাদ কর্মীর চোখে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস
- আমার দেশ নিয়ে সরকারের মিথ্যাচারের প্রমাণ
- কী ‘নাই’? জাতি না কি জাতীয় সংবাদমাধ্যম?
- ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র
- গণমাধ্যম নির্মূলের নীতি
গাজা অভিমুখী ত্রাণবহরে হামলা
- মানবিক সাহায্য, আর্ন্তজাতিক আইন এবং ইজরাইলি গণহত্যা
- ওবামার প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি আর বাস্তবে না বদলানো নীতি
- ইজরাইলের প্রচার যুদ্ধ গিলানো হয় যেভাবে
- ইজরাইলের দুষ্কর্মে আমেরিকার সমর্থন
অসমের স্বাধিকার আন্দোলন ও শান্তি আলোচনা
- ‘আইনি নির্যাতনে’র বায়ান্ন বছর
- আঞ্চলিক সংঘাতে বাংলাদেশ
- স্বাধীনতার লড়াইয়ে অসমীয় জনগণ
- স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের আলোচনা চায় গেরিলারা